সারা বিশ্বকে শাসন করতে চাওয়া হিটলারের মৃত্যু হয়েছিলো নিজের বন্দুকের গুলিতে। মধ্য জীবনে এক ব্যার্থ অভিযান শেষে বরণ করতে হয়েছিলো কারাগার। সেখানে বসে তিনি লিখেছিলেন মাইন ক্যাম্ফ বইটি। আত্মজীবনী মূলক এই বইয়ের ভূমিকায় লিখেছিলেন,
‘আমাদের সংগ্রামের পক্ষে বইটি অত্যন্ত মূল্যবান। আমাদের সংগ্রামটাকে কেবল এগিয়ে নেওয়া নয়, তাকে উন্নত করাও এই বইয়ের উদ্দেশ্য।’
যার তরবারিতে মানুষের রক্ত লেগে আছে তার হাতে যখন কলম উঠে তখনও লেখা হয় মহা মূল্যমান বই। নিজ খেয়ালে বই লিখেছেন, বিষয়টা এমন নয়। তিনি ছিলেন তুখোড় পাঠক। ছোটবেলা থেকে হিটলারের বই পড়ার অভ্যাস গড়ে ওঠে। ভিয়েনায় থাকা কালে তিনি প্রচুর বই পড়েছেন।
বই পড়া সম্পর্কে তার একটা কথা প্রচলন আছে,
আমি এমন অনেককে জানি যারা বইয়ের পর বই, পাতার পর পাতা পড়ে চলে, তবু আমি তাদের পাঠক বলি না। হয়তো বা তারা অনেক পড়েছে। কিন্তু তাদের মস্তিষ্কে বিশ্লেষণ করার ক্ষমতা কোথায়, যা তারা পড়েছে বা পড়ছে? তাদের অবস্থা আগেরটা পড়ে তো পরেরটা ভোলে; তারপর আবার সেটা পড়ে। আর নইলে সমস্ত ব্যাপারটাই অপ্রয়োজনীয় মাল বোঝাই জাহাজের মতো মাথা ভারী করে।
হিটলার সম্পর্কে এত কথা বলার কারণ ১৮৮৯ সালের ২০ এপ্রিল জন্মগ্রহণ করেছিলেন। সারাজীবন যুদ্ধ, অস্ত্র, ক্ষমতা এসবের মধ্যে থাকলেও তিনি ছিলেন একজন পাঠক এবং একজন লেখক। তাই আজকের দিনে তার লেখা আত্মজীবনী বইটি পাঠকের সামনে পরিচয় করিয়ে দিতে আমাদের এই আয়োজন।
